অ্যাজমা (Asthma) সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিস্তারিত আলোচনা, কারণ–লক্ষণ–প্রতিকার, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা এবং রুকইয়াহ চিকিৎসা
—
এজমা হলো শ্বাসনালীর দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত রোগ, যেখানে শ্বাসনালি সংকুচিত হয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
—

ধুলাবালি
পরাগ রেণু
পোকামাকড় (ধুলার মাইট)
পশুপাখির লোম
ঠাণ্ডা আবহাওয়া
সিগারেটের ধোঁয়া
দূষণ
অতিরিক্ত ঠাণ্ডা–ঝাল–টক খাবার
প্যাকেটজাত খাবার
পরিবারের কেউ থাকলে ঝুঁকি বেশি
অতিরিক্ত টেনশনেও এজমার অ্যাটাক হতে পারে
—

—
—

অতিরিক্ত শ্বাসকষ্ট, অস্থিরতা, রাতে সমস্যা বাড়লে।
ধুলাবালিতে সমস্যা বাড়লে, মোটা রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর।
কাশি হলে শ্বাসকষ্ট বাড়ে এবং কফ উঠতে চায় না।
স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় সমস্যা বাড়লে।
প্রচুর কফ জমে শ্বাসকষ্ট হলে।
রাতে শ্বাস বন্ধ হওয়ার মতো অনুভূতি।
সাধারণত ২–৩ বার (রোগ অনুযায়ী কম–বেশি)।
সবসময় একজন অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শে নিন।
—
৭ বার পড়ুন—হাতে ফুঁ দিয়ে বুক ও শরীরে মাসাজ করুন।
প্রতিদিন সকাল–সন্ধ্যায় পড়ুন।
৩ বার করে পড়ে ফুঁ দিন—এজমা, ভয় ও চাপ কমায়।
“আল্লাহুম্মা রাব্বান্নাস, আজহিবিল বা’স, ইশফি আনতা আশ্শাফি…”
(হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টে অত্যন্ত উপকারী)
উপরিউক্ত আয়াত পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে
নিয়মিত পান করা
—
এজমা নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ—সময়ে চিকিৎসা, lifestyle ঠিক রাখা, হোমিওপ্যাথি ও রুকইয়াহ একসাথে নিলে অসাধারণ উপকার পাওয়া যায়। 

আল্লাহর রহমতে অসংখ্য রোগীর সফল চিকিৎসা করেছেন
প্রভাষক ডাঃ এস. জামান পলাশ

হোমিওপ্যাথিক
কনসালটেন্ট
D.H.M.S (B.H.B), Dhaka
P.G.D (Medicine)
ফোন: 01711-943435
Zaman Polash