১️⃣ সকাল বেলা – সূরা ইয়াসিন 
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি দিনের শুরুতে সূরা ইয়াসিন পাঠ করবে, তার প্রয়োজন পূর্ণ করা হবে।” (দারেমি)
২️⃣ রাতের বেলা – সূরা আল-মুলক 
রাসুল ﷺ সূরা আল-মুলক না পড়ে ঘুমাতে যেতেন না।
৩️⃣ বিপদের সময় – সূরা ফীল 
এই সূরায় আবরাহার হস্তীবাহিনীর ধ্বংসের ঘটনা বর্ণিত।
আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে পাঠ করলে
৪️⃣ জাদু ও বদ নজরে – সূরা ফালাক ও সূরা নাস 
এই দুই সূরাকে বলা হয়— মুআওয়াজাতাইন (আশ্রয় প্রার্থনার সূরা)
রাসুল ﷺ প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এই দুই সূরা পড়ে
নিজের শরীরে ফুঁ দিতেন 
৫️⃣ মন খারাপ ও দুশ্চিন্তায় – সূরা ইনশিরাহ 
যখন মন খুব বিষণ্ণ থাকে,
মনে হয় বিপদ আর কাটছেই না—
“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে।”
৬️⃣ রোগ-ব্যাধিতে – সূরা ফাতিহা 
সূরা ফাতিহার একটি নাম— আশ-শিফা (রোগমুক্তি)
সাহাবায়ে কেরাম বিষাক্ত দংশন ও অসুস্থতায়
এই সূরা পড়ে দম করতেন
এবং আল্লাহর ইচ্ছায় সুস্থতা লাভ করতেন 
৭️⃣ ভয়ের সময় – আয়াতুল কুরসি 
আয়াতুল কুরসি কুরআনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়াত।
https://youtu.be/ATdvDdsLMFs?si=r6A2rvu28T4H-UQ4
যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করবে,
সে দারিদ্র্যের শিকার হবে না।
মাগরিব বা এশার পর
এই সূরা পড়ার পরামর্শ দেন