সুস্থ হাসব্যান্ডের হঠাৎ করে বুকে ব্যাথা উঠায়, স্ত্রী একাই হ্যাসব্যান্ডকে নিয়ে হসপিটালে রওয়ানা দিলেন। 
হসপিটালে পৌঁছার পর স্বামীর অবস্থা আরও অবনতি হলো। 


স্ত্রী এই অবস্থা দেখে আর সহ্য করতে পারলেন না… স্ট্রোক করলেন, এবং আধা ঘন্টা পর ইন্তেকাল করলেন। 
ওদিকে ডাক্তারদের চিকিৎসায় স্বামী ধীরে ধীরে সুস্থ হতে লাগলেন।
সকালে যেই স্ত্রী অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে এসেছিলেন, বিকালে সেই স্বামীই মৃত স্ত্রীকে নিয়ে রওয়ানা দিলেন বাড়ির উদ্দেশ্যে। 
কিছুদিন আগে চট্টগ্রামের একজন ডাক্তার হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলেন। 
আগের রাতেও বন্ধুদের সাথে হাসি-আড্ডা… 
পরদিন সকালে নিয়মমতো কাজ শুরু…
সকাল ১১টায় বুকে ব্যথা, আর আড়াইটার দিকে—সব শেষ। 
নিজে ডাক্তার, হসপিটালেই ছিলেন, সব চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রস্তুত—
তবুও মৃত্যু থামানো গেল না।
আমাদের মাদরাসার মুফতি তৈয়ব সাহেব… 
মাগরিবের পর ক্লাস নিয়েছেন, প্রাণবন্ত কণ্ঠে।
ঈশা পর্যন্ত পড়ালেন…
তারপরই চলে গেলেন চিরনিদ্রায়। 
আশেপাশে এমন হঠাৎ বিদায় আমাদের স্তব্ধ করে দেয়, কাঁদায়… 
কিন্তু খুব কম মানুষই এই নসিহতটা গ্রহণ করি—
তখন—
দীর্ঘ আশা কমে যেত…
বড় স্বপ্নের অহংকার ভেঙে যেত…
না পাওয়া নিয়ে আফসোস থাকতো না…
কে কাছে, কে দূরে—এটাও তেমন গুরুত্বপূর্ণ লাগতো না।
মানুষকে খুশি করার দৌড়ে না গিয়ে—
শুধু রবকে খুশি করার চেষ্টা করতাম। 
— সুরা হাদিদ
এবং ভালো অবস্থায় মৃত্যু নসিব করুন… আমীন।