কেলিওয়েড রোগের লক্ষণ, কারণ ও হোমিওপ্যাথিক ব্যবস্থাপনা 
কেলিওয়েড (Keloid) কী?
কেলিওয়েড হলো ত্বকে ক্ষত, কাটা, অপারেশন বা ব্রণের পরে তৈরি হওয়া অস্বাভাবিকভাবে বড়, শক্ত ও উঁচু দাগ, যা সময়ের সাথে ক্ষতের সীমা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
কেলিওয়েড রোগের লক্ষণ

ক্ষতস্থানের উপর উঁচু ও শক্ত মাংসল দাগ

ধীরে ধীরে আকারে বড় হওয়া

চুলকানি, জ্বালা বা ব্যথা

রঙ লালচে/বাদামি/কালচে হওয়া

চাপ দিলে শক্ত অনুভূত হওয়া

পুরোনো ক্ষতের জায়গা ছাড়িয়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়া
কেলিওয়েড হওয়ার কারণ

কাটা, অপারেশন, পোড়া, ইনজেকশন, ব্রণ বা আঘাত

জেনেটিক প্রবণতা (পরিবারে ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বেশি)

গাঢ় ত্বকের মানুষের মধ্যে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি

ক্ষত শুকানোর সময় অতিরিক্ত কোলাজেন উৎপাদন

কানের ছিদ্র, বুক, কাঁধ, পিঠে বেশি দেখা যায়
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা (প্রেসক্রিপশন গাইডলাইন)

রোগীর বয়স, দাগের পুরনো/নতুন অবস্থা, ব্যথা–চুলকানি ইত্যাদি বিবেচনায় ওষুধ ও পটেন্সি নির্ধারণ করা হয়। নিচে সাধারণত ব্যবহৃত ওষুধের নাম দেওয়া হলো—চূড়ান্ত প্রেসক্রিপশন চিকিৎসকের পরামর্শে।
কার্যকর হোমিও ওষুধসমূহ

Silicea – শক্ত, পুরনো ও ব্যথাযুক্ত কেলিওয়েডে

Graphites – চুলকানি ও ঘন দাগে

Thiosinaminum – শক্ত টিস্যু নরম করতে সহায়ক


Calcarea Fluorica – কঠিন, দীর্ঘদিনের দাগে

Causticum – জ্বালা, টান ধরার অনুভূতিতে

Kali Bromatum – ব্রণের পর কেলিওয়েড হলে

Ruta / Arnica – আঘাত বা অপারেশনের পর প্রতিরোধে

নিয়মিত ও ধৈর্যসহকারে চিকিৎসা নিলে অপারেশন ছাড়াই ধীরে ধীরে উন্নতি সম্ভব—অনেক ক্ষেত্রে দাগ নরম হয়, ব্যথা-চুলকানি কমে এবং বৃদ্ধি থামে।
জামান হোমিও হল, চাঁদপুর

বিশ্বস্ত ও ঝুঁকিমুক্ত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য ঠিকানা

প্রভাষক ডা. এস. জামান পলাশ

হোমিওপ্যাথিক কনসালটেন্ট


যোগ্যতা:

D.H.M.S (B.H.B), Dhaka

P.G.D (Medicine)

রেজিস্ট্রেশন নং: ২৩৩৯০

পদবী:
সিনিয়ার প্রভাষক
চাঁদপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ


ওয়েবসাইট:

রোগী দেখার সময়:

সকাল ১০টা – ১টা

বিকাল ৩টা – সন্ধ্যা ৬টা

শুক্রবার বন্ধ
চেম্বার ঠিকানা:
জামান হোমিও হল
মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট
বায়তুল আমিন চত্বর
চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর
যোগাযোগ:

01711-943435

01919-943435

অনলাইন ভিডিও কলে চিকিৎসা সুবিধা

কুরিয়ারে ওষুধ হোম ডেলিভারি সেবা

সুস্থ জীবনের জন্য আজই যোগাযোগ করুন

বিশ্বাস • সেবা • যত্ন