কিডনির ক্রিয়েটিন কত হলে ডায়ালসিস করতে হয়
 👨‍⚕️
👉 ক্রিয়েটিনিন (Creatinine) হলো রক্তে থাকা একধরনের বর্জ্য পদার্থ, যা মূলত পেশী থেকে তৈরি হয় এবং কিডনি দিয়ে প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়।
তাই রক্তে এর পরিমাণ বাড়লে বুঝতে হয় — কিডনি ঠিকমতো কাজ করছে না।
এখন দেখা যাক কখন ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হয় 👇
⚖️ রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা
অবস্থা ক্রিয়েটিনিন (mg/dL) মন্তব্য
স্বাভাবিক (পুরুষ) 0.7 – 1.3 স্বাভাবিক
স্বাভাবিক (মহিলা) 0.6 – 1.1 স্বাভাবিক
মৃদু কিডনি ক্ষতি 1.5 – 2.0 মনিটরিং দরকার
মাঝারি কিডনি ক্ষতি 2.0 – 4.0 ওষুধ ও ডায়েট কন্ট্রোল জরুরি
গুরুতর কিডনি ক্ষতি 5.0 – 7.0 ডায়ালাইসিসের প্রস্তুতি দরকার
চরম অবস্থা (ESRD) >7.0 – 10.0 বা বেশি ডায়ালাইসিস অত্যাবশ্যক
🧠 তবে শুধু ক্রিয়েটিনিন দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না
ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন নির্ধারণ করা হয় নিচের ক্লিনিক্যাল মানদণ্ডে 👇
✅ eGFR (Estimated Glomerular Filtration Rate) < 10 ml/min হলে
✅ রক্তে ইউরিয়া (BUN) অনেক বেশি হলে
✅ লক্ষণ দেখা দিলে — যেমন:
অতিরিক্ত দুর্বলতা বা ঘুম ঘুম ভাব 😴
শ্বাসকষ্ট বা শরীর ফুলে যাওয়া 💧
বমি, ক্ষুধামন্দা 🤢
প্রস্রাব খুব কম হওয়া 🚫
এসব লক্ষণ থাকলে, এমনকি ক্রিয়েটিনিন ৫–৬ হলেও ডায়ালাইসিস শুরু করতে হতে পারে।
💡সংক্ষেপে:
> 🔸 সাধারণত ক্রিয়েটিনিন ৭ mg/dL বা তার বেশি হলে এবং
🔸 eGFR ১০ এর নিচে নামলে
🔸 বা রোগীর লক্ষণ থাকলে,
তখনই ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *