চল্লিশ…
এই সংখ্যাটাকে সমাজ এমনভাবে ভয় দেখায়

কিন্তু কেউ বলে না—
নিজের শক্তি 
নিজের সীমা 
নিজের সহনশীলতা 
আর নিজের সেই “আমি”—
যেটা এতদিন সবার জন্য বাঁচতে বাঁচতে হারিয়ে গিয়েছিল।
কারও হাত ধরে ভবিষ্যৎ আঁকতে 

সংসার, সন্তান, সম্পর্ক সামলাতে 

তিনি ধীরে হাঁটেন
—
নিজের দিকে,
নিজের ক্লান্ত মনের দিকে,
নিজের হারানো হাসির দিকে 

মায়ের বুকের ভেতর তৈরি হয়
একটা নীরব শূন্যতা…
কিন্তু মনের প্রশ্ন বাড়ে 
কে আছে, আর কে শুধু ছিল।
ভেতরের সেই মেয়েটা মাথা তোলে,
যে একসময় বলেছিল—
“আমিও কিছু হতে চাই।”
কিন্তু চল্লিশের নারী মনে মনে বলেন—
তবুও তিনি ভেঙে পড়েন না 


কারণ চল্লিশের নারী জানেন—
চুপ থাকা আত্মসম্মান।
নিজের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ।
নতুন স্বপ্ন বেছে নেওয়ার সাহস।
নিঃশব্দ, কিন্তু অটল।
কারণ তখন সৌন্দর্য শুধু মুখে থাকে না 

থাকে—
তিনি জানেন—
“আমার কী হবে?”

কথা বলে, বিচার করে।
তবুও তিনি হাসেন 
কারণ নারীর হাসি
প্রায়ই তার কষ্ট ঢাকার ঢাল।
এখন তিনি জানেন—
চল্লিশের পর জীবন সহজ হয় না,
কিন্তু স্পষ্ট হয় 
শক্ত হয় 
নিজের হয় 
চল্লিশের নারী বয়সে বড়—
কিন্তু আত্মায় সবচেয়ে তরুণ 
সমাজ তাকে বলে “মধ্যবয়স্ক”,
আর তিনি নিজেকে বলেন—
এই বয়সেই শুরু হয়
তার নিজের জীবনের
সবচেয়ে সত্যিকারের অধ্যায়।