নবী ﷺ–এর দাড়ি ছিলো ঘন, সুন্দর ও পূর্ণ।

সহিহ সূত্র:

“كَانَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ لِحْيَةٌ كَثَّةٌ”

অর্থ: “রাসুল ﷺ–এর দাড়ি ঘন ছিলো।”

সহিহ মুসলিম – হাদিস ২৩৪৪

নবী ﷺ দাড়ি গোছাতেন, পরিচর্যা করতেন।


সহিহ বুখারি – ৫৮৯৩

সাহাবীদের সাধারণ আমল:

তারা দাড়ি বড় রাখতেন

এক মুষ্টির চেয়ে বেশি অংশ কাটতেন না

সহিহ সূত্র:

ইবনে উমর (রাঃ):
“হজ্জ বা উমরা করলে দাড়ি এক মুষ্টি ধরে অতিরিক্ত অংশ কেটে ফেলতেন।”

সহিহ বুখারি – ৫৮৯২
নবী ﷺ বলেছেন—
“أَعْفُوا اللِّحَى”

অর্থ: দাড়ি লম্বা করো, বড় হতে দাও।

সহিহ বুখারি – ৫৮৯৩

সহিহ মুসলিম – ২৫৯

সংক্ষেপে (Quick Summary):

নবী ﷺ এর দাড়ি ছিলো ঘন ও পূর্ণ

সহিহ মুসলিম – ২৩৪৪

সাহাবীরা এক মুষ্টির বেশি দাড়ি কাটতেন না

সহিহ বুখারি – ৫৮৯২

দাড়ি বড় করার নির্দেশ দিয়েছেন নবী ﷺ

সহিহ বুখারি – ৫৮৯৩, মুসলিম – ২৫৯


দাড়ি সুন্নাহ — ইসলামের একটি পরিচয়
যারা সুন্নাহ অনুযায়ী রাখতে চান, তাদের জন্য এটি সবচেয়ে সহিহ প্রমাণসমূহ।
–হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত উমর (রাঃ)–এর দাড়ির অবস্থা সম্পর্কে হাদিস ও ইতিহাসে স্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায়। নিচে সহিহ ও প্রামাণিক সূত্রসহ তুলে ধরলাম—


হযরত আবু বকর (রাঃ) – দাড়ির বর্ণনা

১. দাড়ি ছিলো ঘন ও পূর্ণ
ইমাম তিবরী, ইবনে সাদ (তাবাকাত) ও ইমাম ইবনে কাসীর বর্ণনা করেন—

আবু বকর (রাঃ) –এর দাড়ি ছিলো ঘন, সুন্দর ও পূর্ণ।

২. দাড়ি ছিলো সাদা (বৃদ্ধ বয়সে)
ইবনে সাদের “তাবাকাত আল-কুবরা”-এ আছে—

তাঁর দাড়ি বয়স বাড়ার সাথে সাথে সাদা হয়ে যায়।

৩. তিনি দাড়ি বড় রাখতেন
সাহাবীদের মাঝে দাড়ি বড় রাখা ছিল স্পষ্ট সুন্নাহ, এবং আবু বকর (রাঃ) এ সুন্নাহ পুরোপুরি অনুসরণ করতেন।
তার সম্পর্কে এমন কোনো সহিহ সূত্র নেই যে তিনি এক মুষ্টির বেশি কাটতেন, তবে বড় দাড়িই ছিলো তাঁর আদর্শ।


হযরত উমর (রাঃ) – দাড়ির বর্ণনা

১. দাড়ি ছিলো ঘন, লম্বা এবং পূর্ণ
ইবনে সাদ (তাবাকাত) ও তাবারি ইতিহাসে উল্লেখ—

উমর (রাঃ)–এর দাড়ি ছিলো মোটা ও ঘন।

২. দাড়ি তিনি বড় রাখতেন
সহিহ বর্ণনা:
ইবনে উমর (রাঃ) নিজে বলেন,

“আমি আমার বাবাকে (উমর রাঃ) দাড়ি বড় রাখতে দেখেছি।”
(তাবাকাত ইবনে সাদ)

৩. কখনো কখনো দাড়ি রং দিতেন
উমর (রাঃ) দাড়িতে হিনা (মেহেদি) ব্যবহার করতেন।

সূত্র: “তাবাকাত ইবনে সাদ”, “হিলিয়াতুল আওলিয়া”


দুইজনের ক্ষেত্রে সাধারণ বৈশিষ্ট্য

তারা দু’জনই দাড়ি বড় রাখতেন

নবী ﷺ–এর আদেশ অনুযায়ী: “দাড়ি বড় করো” (বুখারি ৫৮৯৩)

দাড়ি ঘন ছিলো

তাদের চেহারা ছিলো পূর্ণ দাড়িওয়ালা।

দাড়ি কামানো বা ছাঁটাই করার কোনো বর্ণনা নেই

এক মুষ্টির বেশি কাটার আমল সুপ্রতিষ্ঠিত মূলত ইবনে উমর (রাঃ)–এর ক্ষেত্রে।


সংক্ষেপে সহজভাবে:

আবু বকর (রাঃ)

ঘন দাড়ি

বড় দাড়ি

বয়সে সাদা দাড়ি

সুন্নাহ অনুযায়ী পূর্ণ দাড়ি

উমর (রাঃ)

ঘন ও মোটা দাড়ি

বড় দাড়ি

মাঝে মাঝে দাড়িতে মেহেদি

শক্তিশালী, সুন্নাহ অনুযায়ী দাড়ি
হযরত আবু বকর (রাঃ) ও হযরত উমর (রাঃ)–এর দাড়ির অবস্থা সম্পর্কে হাদিস ও ইতিহাসে স্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায়। নিচে সহিহ ও প্রামাণিক সূত্রসহ তুলে ধরলাম—


হযরত আবু বকর (রাঃ) – দাড়ির বর্ণনা

১. দাড়ি ছিলো ঘন ও পূর্ণ
ইমাম তিবরী, ইবনে সাদ (তাবাকাত) ও ইমাম ইবনে কাসীর বর্ণনা করেন—

আবু বকর (রাঃ) –এর দাড়ি ছিলো ঘন, সুন্দর ও পূর্ণ।

২. দাড়ি ছিলো সাদা (বৃদ্ধ বয়সে)
ইবনে সাদের “তাবাকাত আল-কুবরা”-এ আছে—

তাঁর দাড়ি বয়স বাড়ার সাথে সাথে সাদা হয়ে যায়।

৩. তিনি দাড়ি বড় রাখতেন
সাহাবীদের মাঝে দাড়ি বড় রাখা ছিল স্পষ্ট সুন্নাহ, এবং আবু বকর (রাঃ) এ সুন্নাহ পুরোপুরি অনুসরণ করতেন।
তার সম্পর্কে এমন কোনো সহিহ সূত্র নেই যে তিনি এক মুষ্টির বেশি কাটতেন, তবে বড় দাড়িই ছিলো তাঁর আদর্শ।


হযরত উমর (রাঃ) – দাড়ির বর্ণনা

১. দাড়ি ছিলো ঘন, লম্বা এবং পূর্ণ
ইবনে সাদ (তাবাকাত) ও তাবারি ইতিহাসে উল্লেখ—

উমর (রাঃ)–এর দাড়ি ছিলো মোটা ও ঘন।

২. দাড়ি তিনি বড় রাখতেন
সহিহ বর্ণনা:
ইবনে উমর (রাঃ) নিজে বলেন,

“আমি আমার বাবাকে (উমর রাঃ) দাড়ি বড় রাখতে দেখেছি।”
(তাবাকাত ইবনে সাদ)

৩. কখনো কখনো দাড়ি রং দিতেন
উমর (রাঃ) দাড়িতে হিনা (মেহেদি) ব্যবহার করতেন।

সূত্র: “তাবাকাত ইবনে সাদ”, “হিলিয়াতুল আওলিয়া”


দুইজনের ক্ষেত্রে সাধারণ বৈশিষ্ট্য

তারা দু’জনই দাড়ি বড় রাখতেন

নবী ﷺ–এর আদেশ অনুযায়ী: “দাড়ি বড় করো” (বুখারি ৫৮৯৩)

দাড়ি ঘন ছিলো

তাদের চেহারা ছিলো পূর্ণ দাড়িওয়ালা।

দাড়ি কামানো বা ছাঁটাই করার কোনো বর্ণনা নেই

এক মুষ্টির বেশি কাটার আমল সুপ্রতিষ্ঠিত মূলত ইবনে উমর (রাঃ)–এর ক্ষেত্রে।


সংক্ষেপে সহজভাবে:

আবু বকর (রাঃ)

ঘন দাড়ি

বড় দাড়ি

বয়সে সাদা দাড়ি

সুন্নাহ অনুযায়ী পূর্ণ দাড়ি

উমর (রাঃ)

ঘন ও মোটা দাড়ি

বড় দাড়ি

মাঝে মাঝে দাড়িতে মেহেদি

শক্তিশালী, সুন্নাহ অনুযায়ী দাড়ি

ঘন ও সুগঠিত দাড়ি

ইতিহাসকার ইবনে সাদ (তাবাকাত) ও তাবারি উল্লেখ করেন—
হযরত উসমান (রাঃ)-এর দাড়ি ছিলো ঘন ও মনোরম।

দাড়ির ওপর মেহেদি ব্যবহার করতেন

ইবনে সাদ – তাবাকাত, খণ্ড ৩

বলা হয়েছে, তিনি দাড়ি ও চুলে হিনা (মেহেদি) ব্যবহার করতেন।

দাড়িতে সামান্য সাদা রং দেখা যেতো

বার্ধক্যে দাড়ি কিছুটা সাদা হয়ে যায়।

দাড়ি বড় রাখতেন

সাহাবাদের সুন্নাহ অনুযায়ী তিনি দাড়ি বাড়তে দিতেন।

ঘন, প্রশস্ত ও লম্বা দাড়ি

ইবনে সাদ – তাবাকাত ও ইবনে কাসীর – আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া
উল্লেখ: আলী (রাঃ)-এর দাড়ি ছিলো ঘন ও অনুভূমিকভাবে প্রশস্ত।

দাড়ি গভীর কালো

অনেক ঐতিহাসিক বর্ণনায় এসেছে তাঁর দাড়ি ছিলো কালো ও ঘন।

দাড়ি বড় রাখতেন

তিনি দাড়ি পূর্ণভাবে বাড়তে দিতেন (সাহাবাদের প্রচলিত সুন্নাহ)।

কখনো কখনো মেহেদি দিতেন

বর্ণনা আছে, যুদ্ধের সময় বা উৎসবে দাড়ি ও চুলে হিনা ব্যবহার করতেন।

সূত্র: তাবাকাত ইবনে সাদ

দাড়ি বড় রাখতেন

নবীর নির্দেশ:
“দাড়ি বড় করো।” (সহিহ বুখারি ৫৮৯৩)

দাড়ি ছিলো ঘন ও আকর্ষণীয়

দাড়ি কামানোর বর্ণনা কোথাও নেই

সংক্ষেপে (Quick Summary)

হযরত উসমান (রাঃ)

ঘন দাড়ি

মেহেদি ব্যবহার করতেন

দাড়ি বড় রাখতেন

হযরত আলী (রাঃ)

ঘন ও কালো দাড়ি

প্রশস্ত/পূর্ণ দাড়ি

দাড়ি বড় রাখতেন

কখনো মেহেদি