বিবাহিত ৯৫% নারী স্বামীর প্রতি চরম—অকৃতজ্ঞ!

অথচ যে খাবার পাকস্থলীতে আছে—সেটাও স্বামীর।

যে স্মার্টফোন দিয়ে তারা অভিযোগ করে—

সেই অ্যান্ড্রয়েড, মেগাবাইট, ওয়াইফাই—সবই স্বামীর উপার্জনে চলে।


যে পোশাক পরিধান করে তারা তর্ক করে—সেটিও স্বামীর!

অর্থাৎ পুরুষের আশ্রয়ে থেকেই পুরুষের সাথেই প্রতিনিয়ত বিদ্রোহে লিপ্ত!

এতকিছুর পরও চির অকৃতজ্ঞ—

তথাকথিত উন্মাদ প্রাণীদের দায়িত্ব পরিপক্বভাবে পালন করেই যাচ্ছে পুরুষ জাতি।

পুরুষরা জানে—

এই দায়িত্ব ম্যান্ডেটরি

তাদের উপর ফরজ

কিন্তু স্ত্রীরা জানে না—

স্বামীর আনুগত্য ফরজ

স্বামীর মুখের উপর তর্ক করা বেয়াদবি

স্বামীকে কষ্ট দেওয়া—হারাম!

ভরণপোষণের ক্ষেত্রে স্বামীর অধীনস্থ মানলেও,

আনুগত্যের ক্ষেত্রে ঔদ্ধত্য ও বিদ্রোহ!

অর্থাৎ—অধিকার চাইবে ঠিকই, কিন্তু আনুগত্য করবে না!

কতটা হিপোক্রেট মাইন্ডসেট এ-জাতীর সিংহভাগ নারীর!

গোটা দুনিয়া এনে দিলেও শুকর নেই,

একটা আবদার পূরণে ব্যর্থ হলে মুহূর্তেই সব ভুল!


বলবে—
❝ তোমার কাছে কখনো কিছুই পাইনি ❞

তর্কের একপর্যায়ে আরও বলবে—
❝ আগে জানলে বিয়েই করতাম না ❞
❝ কী এমন দিয়েছো, তিনবেলা ভাত ছাড়া? ❞
❝ মানুষ দাসীকেও তিনবেলা ভাত-কাপড় দেয় ❞
❝ আমি দেখে সংসার করি ❞
❝ অন্য মেয়ে হলে লাথি মেরে চলে যেতো ❞
—ইত্যাদি, ইত্যাদি!

অর্থাৎ মুহূর্তেই ৫/১০ বছরের অবদান ভুলে যায়!

অথচ একজন পুরুষ—

দিনে ৮–১০ ঘণ্টা অক্লান্ত পরিশ্রম করে

শুধু স্ত্রী-সন্তানের সুখের জন্য

নিজের সুখ, আহ্লাদ বিসর্জন দেয়

সংসারের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে গিয়ে!

এ-পরিশ্রমের ন্যূনতম মূল্য দিতেও তারা অস্বীকার করে!

স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান, আনুগত্য তো দূরের কথা—

তার অক্লান্ত ত্যাগকে এমনভাবে অগ্রাহ্য করে

যেন স্বামী দাস,
সে কোনো মর্যাদারই যোগ্য না—
গোয়ালের বলদ গরু!

বাংলাদেশে এমন হাজারো পুরুষ আছে—

না পারে বলতে

না পারে সইতে

নিরবে সব সহ্য করে!

এই দেশে—

পুরুষ নির্যাতন আইনও নেই!

জানি না আপনি শেয়ার করবেন কিনা,

তবে আমি বলবো—আপনি শেয়ার করুন।

হয়তো আপনার একটি শেয়ারেই অনেকে সচেতন হবে!

তাই অনুরোধ—একটি শেয়ার করুন।