চোখ হলো গুনাহ ও নেকির প্রথম দরজা।
হারাম থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়া
আল্লাহর নিদর্শন, কুরআন ও ভালো কাজে দৃষ্টি দেওয়া

“মুমিন পুরুষদের বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে…”
— সূরা আন-নূর ২৪:৩০
“দৃষ্টি হলো শয়তানের বিষাক্ত তীর।”
— তাবারানী
হাত দিয়ে মানুষ গুনাহও করে, সওয়াবও অর্জন করে।
অন্যায় স্পর্শ থেকে বিরত থাকা
সাহায্য, দান ও নেক কাজে ব্যবহার করা
“তোমাদের হাত যা উপার্জন করেছে, তার কারণেই বিপদ আসে।”
— সূরা আশ-শূরা ৪২:৩০
“যে হাত দিয়ে জুলুম করে, সে হাত কিয়ামতে সাক্ষ্য দেবে।”
— মুসলিম (ভাবার্থ)
পা মানুষকে হারামের দিকেও নিয়ে যায়, হালালের দিকেও।
ফাহেশা ও গুনাহের স্থানে না যাওয়া
মসজিদ, ইলম ও কল্যাণের পথে চলা
“তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না।”
— সূরা আল-ইসরা ১৭:৩২
কান দিয়ে শোনা কথাও আমলনামায় লেখা হয়।
গিবত, মিথ্যা, অশ্লীল কথা না শোনা
কুরআন, নসিহত ও ভালো কথা শোনা
“নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তর—সবকিছু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।”
— সূরা আল-ইসরা ১৭:৩৬
অল্প একটি অঙ্গ, কিন্তু সবচেয়ে বেশি গুনাহ এর মাধ্যমেই হয়।
মিথ্যা, গালি, অশ্লীল কথা থেকে বিরত থাকা
সত্য, জিকির ও ভালো কথা বলা
“যে ব্যক্তি তার জিহ্বা ও লজ্জাস্থান হিফাজত করবে, আমি তার জন্য জান্নাতের জামিন।”
— বুখারি
এটি হিফাজত করা ঈমানের বড় অংশ।
হারাম সম্পর্ক ও অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকা
বৈধ বিবাহের মাধ্যমে চাহিদা পূরণ করা
“আর যারা তাদের লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে—তারাই সফল।”
— সূরা আল-মুমিনূন ২৩:৫–৭
“হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিবাহ করে।”
— বুখারি ও মুসলিম
মানুষের প্রতিটি অঙ্গ আমানত।
এই অঙ্গগুলো যেভাবে ব্যবহার করবো—সেভাবেই আখিরাতে ফল পাবো।
“হে আল্লাহ! আমাদের চোখ, কান, জিহ্বা ও লজ্জাস্থানকে হেফাজত করুন।”