এই শীতে বাচ্চাদের সুস্থ রাখতে যেসব বিষয় মাথায় রাখবেন 



১. পানি পান

রাতে পানি গরম করে ফ্লাক্সে রাখুন।


সকালে ঠান্ডা পানি খাবেন না।

জগে একবারেই গরম–স্বাভাবিক পানি মিশিয়ে দিন, বাচ্চাদের ওপর ছেড়ে দেবেন না।

২. সোয়েটার নির্বাচন

বাচ্চাদের জন্য উলের সোয়েটারের একাধিক অপশন রাখুন (৩–৪টা), যেন ধোয়া হলেও বিকল্প থাকে।

৩. রং চা

আদা + দারচিনি + গোলমরিচ দিয়ে রং চা করে খাওয়ান।

৪. হলুদ দুধ

রাতে এক গ্লাস গরম দুধে সামান্য হলুদ গুঁড়া

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।

৫. রসুন

খাবারে রসুনের পরিমাণ একটু বাড়ান।

৬. গ্যাস প্রতিরোধ

শীতের সবজি গ্যাস করতে পারে

রান্নায় একটু মেথি ফোড়ন দিন — ন্যাচারাল গ্যাসের মেডিসিন।

৭. সর্দি–কাশি

বাচ্চার সর্দি–কাশি হলে স্টিম বাথ শুরু করুন।

৮. কৃমির ওষুধ

সময়মতো কৃমির ওষুধ দিন।

কক্সবাজার ঘুরে এলে আবার দিতে হবে।

৯. গোসল

প্রতিদিন গোসল জরুরি না।

এই শীতে একদিন পরপর গরম পানিতে গোসল করান।

চুল যেন একদম শুকনো থাকে।

১০. নাকের যত্ন

সকালে নাকের চারপাশে সামান্য ভ্যাসলিন লাগান।

১১. ভিটামিন C

ভিটামিন C চুষতে দিতে পারেন।

১২. Glutathione

Glutathione নিলে সাথে অবশ্যই Vitamin C নিতে হবে।

১৩. Vitamin D

যাদের ভিটামিন D লেভেল ১৫–২৫

তারা সপ্তাহে ২ বার ৪০,০০০ IU নিতে পারেন

সাথে ম্যাগনেসিয়াম।

১৪. রোদ পোহানো

ভারী কাপড় পরে রোদে বসলে উপকার হবে না।

১৫. ঘাম ব্যবস্থাপনা

খেলাধুলার পর ঘাম

আগে ফ্যানের বাতাসে শুকান

তারপর পানি দিয়ে ফ্রেশ হন।

১৬. জানালা–দরজা

বিকেল ৩টার পর জানালা বন্ধ করুন

ঘর উষ্ণ রাখুন।

১৭. হলুদ কফ

কফ হলুদ হলে

প্রতিদিন অল্প অল্প করে গোসল দিন — কফ পাতলা হবে।

১৮. শ্বাসকষ্ট

যাদের শ্বাসকষ্ট আছে, বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করান।

১৯. টনসিল সমস্যা

বড়–ছোট সবারই বাইরে গেলে মাঙ্কি ক্যাপ ব্যবহার জরুরি।

২০. পিরিয়ড প্যান্টি

গরম পানিতে ধুয়ে

রোদে শুকিয়ে ভালোভাবে রেখে দিন

৬–৭ মাস পর পরিবর্তন করুন।

২১. অতিরিক্ত ঠান্ডা

খুব ঠান্ডা জায়গায় গেলে

বাচ্চার শরীরে রসুন তেল মালিশ করতে পারেন।

২২. গ্রামের ঠান্ডা

গ্রামে এখন বেশি ঠান্ডা — খুব সাবধান থাকুন।

২৩. রোদে বসানো

প্রতিদিন নিয়ম করে বাচ্চাকে রোদে দিন।

২৪. সন্ধ্যার পর

সন্ধ্যার পর বাচ্চাদের বাইরে বের করবেন না।

২৫. কাশি বেশি হলে

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ওষুধ দেবেন না।

২৬. খালি পা

নাক দিয়ে পানি পড়লে খালি পায়ে হাঁটা বন্ধ করুন।

২৭. যত্নই আসল

ওষুধের থেকেও যত্ন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২৮. বারবার ঠান্ডা লাগা

প্রতিমাসে ঠান্ডা লাগলে

রক্তস্বল্পতা বা Vitamin D ঘাটতি থাকতে পারে।

২৯. ভ্রমণ সতর্কতা

ঘোরাফেরা করুন, তবে সব প্রিকশন নিন

বাচ্চা অসুস্থ হলে আনন্দ নষ্ট হবে।

৩০. দৈনিক কমলা

প্রতিদিন বাচ্চাকে ১টা কমলা খাওয়ান।

হয়তো আপনার একটি শেয়ারেই কারো উপকার হবে

তাই অনুরোধ — শেয়ার করুন
